hms_logo

  • English
  • বাংলা

FAQ

হজ এজেন্সীদের কাজের সুবিধার্তে তাঁদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর নিচে দেয়া হল :

প্রশ্ন : বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধন কতদিন চালু থাকবে?

উত্তর : বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধন আগামী ১৯ ফেব্রূয়ারি, ২০১৭ খ্রি. শুরু হবে, যা প্রতি কার্যদিবসে সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলবে। জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি-২০১৭ খ্রি. অনুযায়ী (১৪৩৮ হিজরি) প্রাক নিবন্ধন চলমান থাকবে। ২০১৭ সালের প্রাক নিবন্ধন বিষয়ক ইউজার ম্যানুয়ালটি ডাউনলোড করুন ।

প্রশ্ন : একটি NID সাবমিট করার পর কতক্ষন পর আরেকটি NID সাবমিট করা যাবে?

উত্তর : একটি NID সাবমিট করার এক মিনিট পর আরেকটি NID সাবমিট করা যাবে।

প্রশ্ন : এক সাথে সকল ভাউচারের অর্থ পরিশোধ করতে হবে, নাকি আলাদা আলাদাভাবে ভাউচার পরিশোধ করা যাবে?

উত্তর : ১৯ ফেব্রূয়ারি ২০১৭ খ্রি তারিখ হতে ০৩ (তিন) কার্যদিবস পর্যন্ত পূর্বের প্রাক-নিবন্ধনসহ (যদি থাকে) ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) জনের প্রাক-নিবন্ধন করতে পারবে। ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) জন হজ গমনেচ্ছু ব্যক্তির ডাটা এন্ট্রি করার পর ভাউচারের মাধ্যমে একত্রে ১৫০ জনের সম্পূর্ণ টাকা ব্যাংকে জমা প্রদানপূর্বক প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। পূর্বের প্রাক-নিবন্ধিতসহ ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) জনের সংখ্যা পূর্ণ না হলে ভাউচারের মাধ্যমে টাকা জমা প্রদান করা যাবে না। এক্ষেত্রে, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড (লিড ব্যাংক) ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকসমূহ ভাউচার যাচাই-বাছাই করে পূর্বের প্রাক-নিবন্ধিত সংখ্যাসহ (যদি থাকে) ১৫০ জন পূর্ন হওয়ার পরে সংশ্লিষ্ট এজেন্সীর নিকট হতে টাকা গ্রহণ করবে এবং সার্ভারে প্রাক-নিবন্ধন নিশ্চিত করবে।

প্রশ্ন : আমার এজেন্সী ভুল করে মাহরাম ব্যতীত কাউকে প্রাক-নিবন্ধন করেছে। এর সমাধান কি?

উত্তর : হজ এজেন্সীরা অবশ্যই মাহরাম ও পরিবারের সদস্যদের একই ভাউচারের মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধন করবে। হজ এজেন্সীরা মাহ্‌রাম ও পরিবারের সদস্যদের অন্য ভাউচারে টাকা পরিশোধ করলে তার দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সীকে বহন করতে হবে।

প্রশ্ন : আমার এজেন্সীতে ইতোমধ্যে ১৫০ এর অধিক প্রাক-নিবন্ধন করা আছে? আমি কি নতুন করে প্রাক-নিবন্ধন করতে পারবো কিনা?

উত্তর : যে সকল হজ এজেন্সীর ইতোমধ্যে ১৫০ জন বা তদূর্ধ্ব হজে গমণেচ্ছুর প্রাক-নিবন্ধন করা আছে, তারা ১৯ ফেব্রূয়ারি, ২০১৭ খ্রি তারিখ হতে ৩ (তিন) কার্যদিবস পর্যন্ত কোন প্রাক-নিবন্ধন করতে পারবে না। ১৯ ফেব্রূয়ারি, ২০১৭ খ্রি তারিখ হতে ৩ কার্যদিবস পর চুক্তিভুক্ত সকল এজেন্সীর জন্য প্রাক-নিবন্ধন উন্মুক্ত হয়ে যাবে, ফলে আপনি তারপর হতে প্রাক নিবন্ধন করতে পারবেন।

প্রশ্ন : হজ এজেন্সীর বিপরীতে কোটার সীমা থাকবে কীনা?

উত্তর : পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকার সাথে চুক্তিভুক্ত হজ এজেন্সীর বিপরীতে ১৯ ফেব্রূয়ারি, ২০১৭ খ্রি তারিখ হতে ৩ (তিন) কার্যদিবস পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৫০ জন এন্ট্রি করা যাবে। ১৯ ফেব্রূয়ারি, ২০১৭ খ্রি তারিখ হতে ৩ কার্যদিবস পর চুক্তিভুক্ত সকল এজেন্সীর জন্য প্রাক-নিবন্ধন উন্মুক্ত হয়ে যাবে এবং সারা বছর চলমান থাকবে বিধায় হজ এজেন্সীর বিপরীতে প্রাক-নিবন্ধনের কোটা থাকবে না।

প্রশ্ন : বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবছর কতজন হজে যেতে পারবে?

উত্তর : ১১৭,১৯৮ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীর জন্য ২,৬০৪ গাইড ও চূড়ান্তভাবে সৌদি আরবে কোটাপ্রাপ্ত এজেন্সীর মোনাজ্জেমদের জন্য কোটা বাদ দিয়ে অবশিষ্ট কোটা ২০১৭ সনে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় গমনেচ্ছুদের জন্য সংরক্ষণ করা হবে। ২০১৬ সনে যারা ২০১৭ সনের জন্য প্রাক-নিবন্ধন করেছে তাদেরকে অগ্রাধিকার প্রদান করে প্রাক-নিবন্ধনের ক্রমানুযায়ী ২০১৭ সনের জন্য ডাকা হবে এবং গাইড ও মোনাজ্জেমসহ ১১৭,১৯৮ অতিক্রম করলে তাদের পরবর্তী বছরের জন্য প্রাক-নিবন্ধিত হিসেবে বিবেচিত হবে।

প্রশ্ন : আমি কিভাবে জানবো যে আমি নিবন্ধনের জন্য নির্বাচিত হয়েছি?

উত্তর : ১১৭,১৯৮ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীর জন্য ২,৬০৪ গাইড ও চূড়ান্তভাবে সৌদি আরবে কোটাপ্রাপ্ত এজেন্সীর মোনাজ্জেমদের জন্য কোটা বাদ দিয়ে অবশিষ্ট কোটা ২০১৭ সনে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় গমনেচ্ছুদের জন্য সংরক্ষণ করা হবে। ২০১৬ সনে যারা ২০১৭ সনের জন্য প্রাক-নিবন্ধন করেছে তাদেরকে অগ্রাধিকার প্রদান করে প্রাক-নিবন্ধনের ক্রমানুযায়ী ২০১৭ সনের জন্য ডাকা হবে এবং গাইড ও মোনাজ্জেমসহ ১১৭,১৯৮ অতিক্রম করলে তাদের পরবর্তী বছরের জন্য প্রাক-নিবন্ধিত হিসেবে বিবেচিত হবে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নিবন্ধনের জন্য নির্বাচিতদের প্রাক-নিবন্ধনকালে প্রদত্ত মোবাইলে SMS করে জানাবে এবং হজের ওয়েবসাইটে তালিকা প্রকাশ করবে।

প্রশ্নঃ এজেন্সী কিভাবে ২০১৬ সালের তার প্রাক নিবন্ধিত হাজীর তালিকা ও তার স্ট্যাটাস দেখতে পাবে ?

উত্তরঃ মূল সার্ভারে লগইন করার পরে ২০১৬ সালের প্রাক নিবন্ধিত হাজীর তালিকা দেখতে পারবেন। এজন্য, রিপোর্ট মেনুতে গিয়ে ৪০১ নম্বর রিপোর্টটি দেখবেন । এছাড়া,  ৪০৩ নম্বর রিপোর্টটিতে ট্র্যাকিং নম্বর দিয়ে হজযাত্রী সার্চ করে ওই হজযাত্রীর স্ট্যাটাসসহ দেখতে পারবেন।

প্রশ্ন: আমার এজেন্সি হতে যেসব হজযাত্রীর তথ্য আর্কাইভে প্রেরণ করা হয়েছে তা আমি কিভাবে দেখতে পাব ?

উত্তর: রিপোর্ট মেনুতে ক্লিক করে ৪০১ নং  রিপোর্টে আর্কাইভকৃত হজযাত্রীদের Status এবং Archived লেখা  দেখতে পাবেন ।

প্রশ্ন: হজযাত্রীর স্থানান্তর সম্পর্কিত রিপোর্ট কোনটি?

উত্তর: স্থানান্তর সম্পন্ন হয়েছে এমন হজযাত্রীদের তথ্য রিপোর্ট মেনুতে গিয়ে ৪০২ নম্বর রিপোর্টে দেখতে পারবেন।

প্রশ্ন : ব্যক্তি পর্যায়ে আমি আবেদন করেছিলাম হজ এজেন্সী পরিবর্তনের। তা কিভাবে হবে?

উত্তম : ব্যক্তি পর্যায়ে স্থানান্তরের আবেদন প্রাক-নিবন্ধনকারি হজ এজেন্সী ও বর্তমানে আবেদিত হজ এজেন্সী উভয়ের সম্মতি ব্যতিরেকে করা যাবেনা, করলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত হবেনা।

প্রশ্ন : আমার এজেন্সী ২০১৬ সনে চুক্তিভুক্ত হয়েছিল কিন্তু ২০১৭ সনে তারা চুক্তিভুক্ত হয়নি। আমি কি সিস্টেমে কাজ করতে পারবো?

উত্তর : যে সকল হজ এজেন্সী ২০১৬ সনে চুক্তিভুক্ত হয়েছিল কিন্তু ২০১৭ সনে তারা চুক্তিভুক্ত হয়নি তারা শুধুমাত্র রিফান্ড ও স্থানান্তর অনলাইন আবেদন করতে পারবে।

প্রশ্ন : আমার এজেন্সী হতে গাইডকে প্রাক-নিবন্ধন করা হয়েছিল এবং তিনি গাইড হিসেবে সরাসরি HMIS এ নিবন্ধন করে হজ করেছেন। তার প্রাক-নিবন্ধন বাতিল কিভাবে করা যাবে?

উত্তর : ইতোপূর্বে প্রাক-নিবন্ধিত কেউ গাইড হিসাবে সরাসরি HMIS এ পিআইডি নিয়ে থাকলে তাদের প্রাক-নিবন্ধন বাতিল বিদ্যমান রিফান্ড পদ্ধতিতেই হবে। অর্থ্যাৎ, উক্ত প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তির প্রাক-নিবন্ধন বাতিল করতে হলে প্রাক-নিবন্ধনকারি ব্যাংক হতে অনলাইনে রিফান্ডের আবেদন করলে ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনলাইন অনুমোদন হতে হবে।

প্রশ্নঃ ২৯ জানুয়ারি, ২০১৭ তারিখে সকল হজ এজেন্সীর জন্য সার্ভার কি খুলে দেয়া হবে?

উত্তরঃ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় যে সকল হজ এজেন্সীর ২০১৬ সনে  ইউজার ছিল, শুধুমাত্র তাদের ইউজারকে সাময়িকভাবে সক্রিয় করা হবে । আপনারা ২০১৬ সনে প্রদত্ত ইউজার ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কাজ করতে পারবেন । পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে “forget password” এর মাধ্যমে নতুন পাসওয়ার্ড  সংগ্রহ করবেন । ২০১৬ সনের ব্যবহৃত ইউজারটি পরিবর্তন করতে হলে পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকার লিখিত অনুমোদনে তা করা যাবে। নতুনভাবে অনুমোদিত হজ এজেন্সীরা হজ অফিস, ঢাকার সাথে চুক্তি সম্পাদন শেষে নতুন করে ইউজার তৈরী করতে হবে । ২০১৭ সালের প্রাক নিবন্ধন বিষয়ক ইউজার ম্যানুয়ালটি ডাউনলোড করুন ।

প্রশ্নঃ এখন কি কি কাজ করা যাবে?

উত্তরঃ বর্তমানে সাময়িকভাবে শুধুমাত্র বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন বাতিল বা স্থানান্তর করা যাবে ।

প্রশ্নঃ কি ভাবে হজযাত্রী স্থানান্তর (ট্র্যান্সফার) করা যাবে?

উত্তরঃ বিগত বছরের ন্যায় হজযাত্রী স্থানান্তর পদ্ধতি কাজ করবে। প্রয়োজনে হজযাত্রী স্থানান্তর (ট্রান্সফার) বিষয়ক ইউজার ম্যানুয়েলটি ডাউনলোড করে বিস্তারিত দেখতে পারবেন ।

প্রশ্নঃ কি ভাবে হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন বাতিল (রিফান্ড) করা যাবে?

উত্তরঃ বিগত বছরের ন্যায় হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন বাতিল (রিফান্ড) পদ্ধতি কাজ করবে, অর্থ্যাৎ প্রাক-নিবন্ধনকারি ব্যাংক কর্তৃক আবেদনটি করতে হবে ।  প্রয়োজনে হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন বাতিল (রিফান্ড) বিষয়ক ইউজার ম্যানুয়েলটি ডাউনলোড করে বিস্তারিত দেখতে পারবেন । Refund করা হাজিদের লিস্ট রিপোর্ট মেন্যুতে  ৪০১ নং রিপোর্টে অথবা ৪০৩ নং রিপোর্টে ট্রাকিং নম্বর দ্বারা স্ট্যাটাসসহ  দেখতে পারবেন ।

প্রশ্নঃ এজেন্সী কিভাবে ২০১৬ সালের তার প্রাক নিবন্ধিত হাজীর তালিকা ও তার স্ট্যাটাস দেখতে পাবে ?

উত্তরঃ মূল সার্ভারে লগইন করার পরে ২০১৬ সালের প্রাক নিবন্ধিত হাজীর তালিকা দেখতে পারবেন। এজন্য, রিপোর্ট মেনুতে গিয়ে ৪০১ নম্বর রিপোর্টটি দেখবেন । এছাড়া,  ৪০৩ নম্বর রিপোর্টটিতে ট্র্যাকিং নম্বর দিয়ে হজযাত্রী সার্চ করে ওই হজযাত্রীর স্ট্যাটাসসহ দেখতে পারবেন ।

প্রশ্নঃ হজযাত্রী স্থানান্তর বা প্রাক-নিবন্ধন বাতিলের অনলাইন আবেদন কখন কার্যকর হবে? অনুমোদিত হলে কিভাবে তা জানা যাবে?

উত্তরঃ শুধুমাত্র ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ইউজার এই অনলাইন আবেদন অনুমোদন করলেই তা কার্যকর হবে । আপনি ৪০৩ নম্বর রিপোর্টটিতে ট্র্যাকিং নম্বর দিয়ে হজযাত্রীর অবস্থান সার্চ করে ওই হজযাত্রীর স্ট্যাটাসসহ দেখতে পারবেন ।

প্রশ্নঃ কাদের মধ্যে হজযাত্রী স্থানান্তর করা যাবে?

উত্তরঃ বর্তমানে সক্রিয় হজ এজেন্সীর মধ্যে হজযাত্রী স্থানান্তর (ট্র্যান্সফার) করা যাবে। চুক্তিভুক্ত হয়নি অথচ তালিকায় নাম আছে, এমন এজেন্সীর সাথে বর্তমানে হজযাত্রী স্থানান্তর করা যাবে না । চুক্তিভুক্ত নতুন এজেন্সীতে (যারা গত বছরে প্রাক-নিবন্ধন কাজে অংশগ্রহণ করেনি) ভবিষ্যতে যদি কোন হজযাত্রী অন্য কোন হজ এজেন্সী হতে স্থানান্তর করার প্রয়োজন হয়, তবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনে তা স্থানান্তর করে যাবে। স্থানান্তর সম্পন্ন হয়েছে এমন হজযাত্রীদের তথ্য রিপোর্ট মেনুতে গিয়ে ৪০২ নম্বর রিপোর্টে দেখতে পারবেন ।

প্রশ্নঃ যদি হজে গমনেচ্ছু তার বর্তমান প্রাক-নিবন্ধনকারি হজ এজেন্সীতে না থাকতে চায় অথচ ওই হজ এজেন্সী হজযাত্রীকে স্থানান্তর করার অনলাইন আবেদন না করে, তাহলে তাঁর হজ এজেন্সী স্থানান্তর কিভাবে হবে?

উত্তরঃ যদি হজে গমনেচ্ছু তার বর্তমান প্রাক-নিবন্ধনকারি হজ এজেন্সীতে না থাকতে চায় অথচ ওই হজ এজেন্সী হজযাত্রীকে স্থানান্তর করার অনলাইন আবেদন না করে, তাহলে তাঁকে দালিলিক কাগজপত্র (প্রাক-নিবন্ধনকারি হজ এজেন্সীকে প্রাক-নিবন্ধনের টাকা পরিশোধ সংক্রান্ত) নিয়ে পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকার বরাবর আবেদন করবে। আবেদনে অবশ্যই তিনি যে হজ এজেন্সীতে স্থানান্তর হতে চাঁন, তা উল্লেখ করে ট্র্যাকিং নম্বর ও মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকা ওই আবেদন গ্রহণযোগ্য বিবেচনা করলে তিনি তা ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে স্থানান্তরের জন্য সুপারিশ করবেন। সুপারিশপত্রটি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ইউজার তখন অনলাইনে ওই ট্র্যাকিং নম্বরের বিপরীতে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিকে তাঁর আবেদিত হজ এজেন্সীতে স্থানান্তরের জন্য প্রক্রিয়া করবেন, তবে তা নতুন হজ এজেন্সী অনলাইনে ওই হজযাত্রীকে গ্রহণ (accept) করলেই স্থানান্তর সম্পন্ন হবে।

প্রশ্নঃ হজযাত্রী ২০১৬ সনে নিবন্ধন করেছেন কিন্তু হজে যাননি, তাঁদের প্রাক-নিবন্ধনের অর্থ কিভাবে পাওয়া যাবে?

উত্তরঃ যে সকল হজযাত্রী নিবন্ধনের পর হজে যাননি, তাদের প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় বাতিল করেছে। তাদের প্রাক নিবন্ধনের অর্থ ফেরত পেতে, তারা পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকার নিকট তাদের দালিলিক প্রমানসহ আবেদন করবে। পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকা আবেদনকারির পাসপোর্ট ও দালিলিক প্রমান পরীক্ষা করে ধর্ম মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করবে। অতঃপর ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সার্ভিস চার্জ কর্তন করে তাদের প্রাক-নিবন্ধনের অবশিষ্ট অর্থ ফেরতের চেক ইস্যু করবে।

প্রশ্নঃ কবে থেকে বেসরকারী ব্যবস্থাপনার হজ এজেন্সীসমূহের প্রাক-নিবন্ধনের ডাটা এন্ট্রি শুরু হবে ? কোন কোটার লিমিট থাকবে কীনা?

উত্তরঃ এ বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পেলে হজের ওয়েবসাইটে জানানো হবে।

প্রশ্নঃ ২০১৭ সালের ২য় বৈধ তালিকার এজেন্সীর ট্রেনিং কি দেওয়া হবে? যদি ট্রেনিং দেওয়া হয়, তাহলে কত তারিখে দেওয়া হবে ?

উত্তরঃ ২য় বৈধ তালিকায় এজেন্সীদের ট্রেনিং দেওয়া হবে এবং ওয়েবসাইটে ট্রেনিং সিডিউলে প্রকাশ করা হবে ।

প্রশ্নঃ ২০১৭ সালের ১ম বৈধ তালিকার এজেন্সীর ট্রেনিং যারা মিস করেছে তাদেরকে কি পূনরায় ট্রেনিং দেওয়া হবে? যদি ট্রেনিং দেওয়া হয়, তাহলে কত তারিখে দেওয়া হবে?

উত্তরঃ যদি মিস করে থাকেন এবং ঐ লাইসেন্স থেকে যদি ট্রেনিং নিয়ে না থাকেন তাহলে গ্রহন করতে পারবেন ।

প্রশ্নঃ যে সকল হজে গমনেচ্ছু ২০১৬ সালে প্রাক্-নিবন্ধন সম্পন্ন করেছে কিন্তু নিবন্ধন করেনি, সে সকল হজে গমনেচ্ছু ২০১৭ সালে হজে যেতে পারবে কি ?

উত্তরঃ যদি প্রাক-নিবন্ধন বাতিল (রিফান্ড) না করে থাকেন, তাহলে পারবে ।

প্রশ্নঃ হজ চুক্তি কার্যক্রম সম্পাদন করার সর্বশেষ তারিখ কবে ?

উত্তরঃ সর্বশেষ তারিখ হজ অফিস, ঢাকা হতে জানার অনুরোধ করা হল ।

প্রশ্ন: আমার এজেন্সি হতে যেসব হজযাত্রীর তথ্য আর্কাইভে প্রেরণ করা হয়েছে তা আমি কিভাবে দেখতে পাব ?

উত্তর: রিপোর্ট মেনুতে ক্লিক করে ৪০১ নং  রিপোর্টে আর্কাইভকৃত হজযাত্রীদের Status এ Archived লেখা  দেখতে পাবেন ।

 প্রশ্ন: আমি ২০১৬ সালে একটি এজেন্সিতে কাজ করেছি। ঐ সময় আমার ই-মেইল দিয়ে ঐ এজেন্সির নামে  একটি ইউজার তৈরি করেছি। আমি এবছর আরেকটি এজেন্সিতে কাজ করব সেক্ষেত্রে আমি কি আমার পূর্বের ই-মেইল আইডি দিয়ে আরেকটি ইউজার তৈরি করতে পারব?

উত্তর: প্রাক্-নিবন্ধন সিস্টেমে একটি ই-মেইল আইডি দিয়ে একটাই ইউজার তৈরি করা যায়। নতুন এজেন্সিতে কাজ করতে হলে নতুন ই-মেইল আইডি ব্যবহার করতে হবে।

প্রশ্নঃ কোন কোন প্রাক-নিবন্ধনকে আর্কাইভ করা হয়েছে?

উত্তরঃ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক যে সকল হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন, যারা প্রতিস্থাপনের (replacement) মাধ্যমে পিলগ্রিম আইডি পেয়েছেন এবং যারা Refund করেছেন , তাঁদের প্রাক-নিবন্ধনকে আর্কাইভ করা হয়েছে । নিজ নিজ এ‌জেন্সীর  সকল হাজীর তথ্য ৪০১ এ পা‌বেন । অার ট্র্যা‌কিং নম্বর দি‌য়ে ৪০৩ নং রিপোর্টে একজ‌নের তথ্য পা‌বেন ।

প্রশ্নঃ ২০১৬ সালের গাইড হজে গিয়েছেন কিন্তু তাদের প্রাক নিবন্ধন এখনো এজেন্সির ইউজারে রয়েছে অর্থাৎ পিল্গ্রিম লিস্ট এ তাদের নাম আছে। তাঁদের প্রাক-নিবন্ধন কিভাবে বাতিল করতে পারবে?

উত্তরঃ ২০১৬ সালের গাইড হিসেবে হজে গিয়েছেন (ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় HMIS এ সরাসরি নিবন্ধনকৃত) কিন্তু তাঁরা প্রাক-নিবন্ধন করা আছে, তাঁদেরকে প্রাক-নিবন্ধন রিফান্ডের মাধ্যমে বাতিল করা যাবে ।

প্রশ্ন: জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য নির্বাচন কমিশনের সার্ভার হতে প্রাক্-নিবন্ধন সিস্টেমে না এলে আমার করণীয় কি?

উত্তর: আপনি যে উপজেলা/থানার (স্থায়ী ঠিকানা) অধিবাসী ঐ উপজেলা/থানায় অবস্থিত নির্বাচন কমিশন কার্যালয় হতে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জন্ম তারিখ সঠিক রয়েছে কিনা তা যাচাই করে পুনরায় ডাটা এন্ট্রি করবেন। কেননা NID অথবা জন্ম তারিখের কোন একটি সংখ্যা ভূল হলে ঐ ডাটা নির্বাচন কমিশনের সার্ভার হতে প্রাক্-নিবন্ধন সিস্টেমে আসবে না ।