|
মিনায় হাজিদের পশু কোরবানি, শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে শুক্রবার ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় হাজিরা গতকাল মিনায় কোরবানি দিয়েছেন। কেউ নিজে, কেউবা প্রতিনিধির মাধ্যমে পশু কোরবানি দেন। তাঁরা বড় শয়তানের প্রতীকী প্রতিকৃতিতে পাথর নিক্ষেপ করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে আল্লাহর মেহমানেরা আরাফাতের ময়দান থেকে মুজদালিফায় যান। সেখানে তাঁরা রাতভর ইবাদত-বন্দেগি করে গতকাল শুক্রবার ফজরের নামাজ আদায় করে আবার মিনায় ফিরে যান।
গত বৃহস্পতিবার হজের প্রধান অংশ ও দোয়া আদায়ের স্থান হিসেবে পরিচিত মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বিদায় ভাষণের স্মৃতিবিজড়িত আরাফাতের প্রান্তরে ছিলেন হাজিরা। সারা দিন আরাফাতের ময়দানে দোয়া-দরুদ ও জিকির-আজকারে ব্যস্ত ছিলেন তাঁরা। সন্ধ্যায় আরাফাত থেকে হাজিরা মুজদালিফায় যান। বৃহস্পতিবার রাতে মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে লাখো মুসলমান অবস্থান করেন। সেখানেও তাঁরা জিকির-আজকার করে সময় কাটান। শয়তানকে মারার জন্য সেখান থেকে প্রত্যেক হাজি ছোট আকারের ৪৯টি পাথর সংগ্রহ করেন। মুজদালিফায় ফজরের নামাজ আদায়ের পর হাজিরা কেউ হেঁটে, কেউ বাসে বা ট্রাকে চড়ে মিনায় ফেরেন। মিনায় পৌঁছে আল্লাহর মেহমানেরা বড় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করেন। এ ছাড়া তাঁরা কোরবানি করে, মাথার চুল ছোট করে অথবা একেবারে ফেলে দিয়ে এহরাম মুক্ত হন। মিনায় আরও দুদিন অবস্থান করে হাজিরা পর্যায়ক্রমে ছোট, মাঝারি ও বড় শয়তানকে কঙ্কর মারবেন। এরই মধ্যে অনেকে মক্কায় গিয়ে বায়তুল্লাহ শরিফে ফরজ তাওয়াফ করে আবার মিনায় ফিরে এসেছেন। কেউ কেউ আবার যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পাথর নিক্ষেপের স্থান জামারায় কথা হয় ঢাকা থেকে আগত আবুল হোসেন সিদ্দিকের সঙ্গে। তিনি বলেন, জামারা আগের চেয়ে আরও বড় করা হয়েছে। ফলে ভিড় কম। আর এ কারণে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। |