|
৭ জিলহজ ইহরাম ও হজের নিয়ত করে মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশ্য রওনা ৮ জিলহজ মিনায় অবস্থান ৯ জিলহজ ফজরের নামাজ পড়ে
আরাফাতের উদ্দেশে রওনা সূর্যাস্তের পর মুযদালিফা রাতে মুযদালিফা অবস্থান ও কংকর সংগ্রহ ১০ জিলহজ ফজরের নামাজ পড়ে মিনার উদ্দেশে রওনা মিনায় জামারায় বড় শয়তানকে ৭টি কংকর নিক্ষেপ পশু কুরবনি মাথার চুল ছেঁটে বা ন্যাড়া হয়ে গোসল করবেন। মক্কায় গিয়ে তাওয়াফ সাঈ করা ১১ জিলহজ মিনায় জামারায় বড় ,মেজ , ছোট শয়তানকে ৭টি করে ২১টি কংকর নিক্ষেপ ১২ জিলহজ মিনায় জামারায় বড় ,মেজ , ছোট শয়তানকে ৭টি করে ২১টি কংকর নিক্ষেপ ১৩ জিলহজ মিনা ত্যাগ না করলে জামারায় বড় ,মেজ , ছোট শয়তানকে ৭টি করে ২১টি কংকর নিক্ষেপ ৮ জিলহজ মিনাজুড়ে তাঁবু আর তাঁবু। যেন তাঁবুতেই ঢাকা পড়ে গেছে মিনা নগরী। তাঁবুগুলো দেখতে অনেকটা চৌচালা ঘরের মতো। তাঁবুগুলো অগ্নিপ্রতিরোধক ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। তাঁবুর ভেতরে পর্যাপ্ত বাতি আছে। ভিআইপিদের তাঁবুতে টেলিফোন সংযোগ, ফ্রিজসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। তাঁবুতে হাজিদের নামাজের ব্যবস্থাও রয়েছে। অনেকে আবার আল-খায়েফে মসজিদে নামাজ আদায় করবেন । মিনায় কিছু দূর পরপর রয়েছে হাসপাতাল। আছেন স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসক, নিরাপত্তা কর্মী। ৯ জিলহজ হজের তিন ফরজের মধ্যে আরাফাতের ময়দানে অবস্থান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ধর্মপ্রাণ লাখো মুসলমান আজ এক কাতারে শামিল হবেন। হাজিরা ৯ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে থাকবেন। পবিত্র হজের আহকাম পালনের লক্ষ্যে তাঁরা ফজরের নামাজের পর মক্কা থেকে পাঁচ কিলোমিটার পূর্বে মিনার উদ্দেশে রওনা হবেন। কেউ গাড়িতে করে, কেউবা এক-দুই ঘণ্টা হেঁটে মিনায় পৌঁছাবেন। আরাফাতের ময়দানে যাওয়ার এক দিন আগে মিনায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা সুন্নত। এ সুন্নত আদায় করতে হজের এক দিন আগেই মিনায় যান হাজিরা। ১০ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে খুতবার পর জোহর ও আসরের নামাজ একত্রে আদায় করে হাজিরা সূর্যাস্ত পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করবেন। সূর্যাস্তের পর তাঁরা পাঁচ কিলোমিটার দূরে মুজদালিফায় গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করবেন। রাতে তাঁরা সেখানে খোলা মাঠে অবস্থান করবেন এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য প্রয়োজনীয় পাথর সংগ্রহ করে ফজরের নামাজ পড়ে মিনায় ফিরবেন। মিনায় এসে হাজিরা শয়তানকে পাথর ছোড়ার পর কোরবানি দিয়ে মাথার চুল ছেঁটে বা ন্যাড়া হয়ে গোসল করবেন। পরে মিনা থেকে মক্কায় গিয়ে হাজিরা পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ করবেন, সাফা-মারওয়ায় সাঈ (দৌঁড়ানো) করবেন। ১১,১২ জিলহজ সেখান থেকে তাঁরা আবার মিনায় ফিরে এসে আরও দুই দিন অবস্থান করে হজের আরও আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করবেন। মিনার কাজ শেষে মক্কায় বিদায়ী তাওয়াফ করার পর যাঁরা মদিনা যাননি তাঁরা মদিনা যাবেন। আর যাঁরা আগে মদিনায় গেছেন, তাঁরা নিজ নিজ দেশে ফিরবেন। |