|
g°vq hv †`L‡eb - মসজিদুল হারাম (কাবা শরিফ)।
- সাফা ও মারওয়া।
- মক্কা লাইব্রেরি।
- মক্কা জাদুঘর
কাবা শরিফের কাছে উমরা মসজিদে যাওয়ার পথেই পড়ে মক্কা জাদুঘর। দর্শনার্থীদের কোনো প্রবেশ ফি নেই। শুধু প্রবেশমুখে জিজ্ঞেস করে কোথা থেকে এসেছেন, কোন দেশের নাগরিকÑএই আর কি! জাদুঘরে ঢুকলে ইতিহাস-ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির পরিচয় পাওয়া যায়। তেমনি পাওয়া গেল মক্কার জাদুঘরেও। প্রবেশমুখের শুরুতেই পেয়ে গেলাম কয়েকজন বাংলাদেশি কর্মীর দেখা। এ জাদুঘরে অন্যান্য দেশের লোক এলেও বাংলাদেশিরা খুব কমই আসে। অবশ্য যেসব হজযাত্রী মসজিদুল হারামে (কাবা শরিফে) নামাজ পড়েন, তাঁরা অনেকেই এই জাদুঘরের খবর জানেন না। এটাও একটা কারণ। মক্কা প্রবাসী বাংলাদেশিরাও জাদুঘরে আসে কম। - কাবার গিলাফ তৈরির কারখানা।
হজ পালন করতে গিয়ে মক্কায় কিসওয়া তৈরির কারখানা দেখে আসতে পারেন। ট্যাক্সিতে কাবা শরিফ থেকে ১০ রিয়ালে পৌঁছে যাবেন কিসওয়া। পাশেই মক্কা-মদিনার দুই হারাম শরিফে ব্যবহƒত জাদুঘর। জাদুঘরে দেখতে পাবেন বিভিন্ন রকম কিসওয়া (কাবার গিলাফ)। সেখানে অনেক বাংলাদেশি চাকরি করেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে আরও অনেক কিছু জানতে পারবেন। - মক্কায় কাবা শরিফ ছাড়াও জাবাল-ই-রহমত (আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত), জাবাল-ই-নূর (যেখানে রাসূলুল্লাহ (সা.) ধ্যান করতেন; এখানে পবিত্র কোরআনের আয়াত নাজিল হয়), মিনায় আল-খায়েফ মসজিদ, নামিরা মসজিদ, আরাফাতের ময়দান, মুজদালিফা, জাবাল-ই-সাওর প্রভৃতি ঐতিহাসিক স্থানে ঘুরে আসা যায়।
|