নোটিশ/ বিজ্ঞপ্তি:

হজযাত্রীর তথ্য যাচাই

তালবিয়া: লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক

হজযাত্রীদের সেবায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নতুন উদ্যোগসমূহ

হজ-সংক্রান্ত সেবা

প্রাক্-নিবন্ধিত হজযাত্রী

জন

সরকারি মাধ্যম

জন

বেসরকারি মাধ্যম

আবেদনের ধাপসমূহ

প্রাক নিবন্ধন করতে যে সকল তথ্য প্রয়োজন:
প্রাক-নিবন্ধনের জন্য ১৮ বছরের উর্ধ্বের হজযাত্রীর জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট, ১৮ বছরের নীচের বয়সীদের জন্মনিবন্ধন এবং বিদেশে বসবাসরত (নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশি) হজযাত্রীর জন্য জন্মনিবন্ধন/পাসপোর্ট, ওয়ার্ক পারমিট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রয়োজন।

প্রাক-নিবন্ধন ফি ৩০,০০০ টাকা

Content will be Comming soon...

আবেদনের ধাপসমূহ

প্রাক নিবন্ধন করতে যে সকল তথ্য প্রয়োজন:
প্রাক-নিবন্ধনের জন্য ১৮ বছরের উর্ধ্বের হজযাত্রীর জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট, ১৮ বছরের নীচের বয়সীদের জন্মনিবন্ধন/পাসপোর্ট এবং বিদেশে বসবাসরত (নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশি) হজযাত্রীর জন্য জন্মনিবন্ধন/পাসপোর্ট, ওয়ার্ক পারমিট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রয়োজন।

সরকারি মাধ্যমে প্রাক নিবন্ধন / নিবন্ধনে সহায়তা কেন্দ্র:
সরকারি মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধন করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের প্রাক-নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত সেন্টার যথাঃ ডিসি অফিস, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র ও পরিচালক, ঢাকা হজ অফিস। তবে, সরাসরি নিজেই সরকারি মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধন / নিবন্ধন করার সুযোগ আছে।

প্রাক-নিবন্ধন ফি ৩০,০০০ টাকা

আবেদনের ধাপসমূহ

প্রাক নিবন্ধন করতে যে সকল তথ্য প্রয়োজন:
প্রাক-নিবন্ধনের জন্য ১৮ বছরের উর্ধ্বের হজযাত্রীর জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র / পাসপোর্ট, ১৮ বছরের নীচের বয়সীদের জন্মনিবন্ধন / পাসপোর্ট এবং বিদেশে বসবাসরত (নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশি) হজযাত্রীর জন্য জন্মনিবন্ধন/পাসপোর্ট, ওয়ার্ক পারমিট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রয়োজন।

প্রাক-নিবন্ধন ফি ৩০,০০০ টাকা

ধাপসমূহ

সরকারি মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধিত হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন বাতিল পূর্বক ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ ফেরত প্রক্রিয়াঃ

ধাপ ১: আবেদন
পিআরপি সিস্টেম হতে হজযাত্রী নিজে বা প্রাক-নিবন্ধন কেন্দ্র হতে অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে। হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধনের সমুদয় অর্থ হতে ১০০০ টাকা কর্তন করে বাকি টাকা BEFTN এর মাধ্যমে প্রদান করা হবে। শুধুমাত্র একই ভাউচারে প্রাক-নিবন্ধিত একই পরিবারের হজযাত্রীগন একসঙ্গে আবেদন করতে পারবেন, অন্যথায় আলাদা আলাদা আবেদন করতে হবে।

ধাপ ২: সুপারিশ
আবেদন ঢাকা হজ অফিস যাচাই করে অনলাইনে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করবে।

ধাপ ৩: অনুমোদন
রিফান্ডের আবেদন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত হলে ব্যাংক ইউজারের কাছে প্রেরণ করা হবে। রিফান্ড আবেদন অনুমোদিত হলে আপনার প্রাক-নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে। হজে যেতে হলে সম্পূর্ণ নতুন করে প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে।

ধাপ ৪: অর্থ ফেরত
সোনালী ব্যাংকের নির্বাচিত ব্রাঞ্চ হতে BEFTN নিশ্চিত করে প্রাক-নিবন্ধনের অর্থ ট্রান্সফার করে দিবে।

ধাপসমূহ

বেসরকারি মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধিত হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন বাতিল পূর্বক ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ ফেরত প্রক্রিয়াঃ

ধাপ ১: আবেদন
পিআরপি সিস্টেম হতে প্রাক-নিবন্ধিত এজেন্সির অ্যাকাউন্ট হতে অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে। হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধনের সমুদয় অর্থ হতে ১০০০ টাকা কর্তন করে বাকি টাকা BEFTN এর মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধিত এজেন্সির অ্যাকাউন্টে টাকা প্রদান করা হবে। হজ এজেন্সি যদি চায় তাহলে হজযাত্রীর অ্যাকাউন্ট BEFTN এর মাধ্যমে প্রদান করতে পারবেন। শুধুমাত্র একই ভাউচারে প্রাক-নিবন্ধিত একই পরিবারের হজযাত্রীগন একসঙ্গে আবেদন করতে পারবেন, অন্যথায় আলাদা আলাদা আবেদন করতে হবে।

ধাপ ২: সুপারিশ
আবেদন সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সি যাচাই করে অনলাইনের মাধ্যমে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করবে।

ধাপ ৩: অনুমোদন
রিফান্ডের আবেদন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত হলে ব্যাংক ইউজারের কাছে প্রেরণ করা হবে। রিফান্ড আবেদন অনুমোদিত হলে আপনার প্রাক-নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে। হজে যেতে হলে সম্পূর্ণ নতুন করে প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে।

ধাপ ৪: অর্থ ফেরত
সোনালী ব্যাংকের নির্বাচিত ব্রাঞ্চ হতে BEFTN নিশ্চিত করে প্রাক-নিবন্ধনের অর্থ ট্রান্সফার করে দিবে। হজযাত্রীর প্রদানকৃত অর্থ এজেন্সির নিকট থেকে সমুদয় অর্থ বুঝে নিতে হবে।

হজের প্রাক-নিবন্ধন সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন বা সহায়তার জন্য ১৬১৩৬ এ যোগাযোগ করুন। অফিস চলাকালীন সময়ে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে যোগাযোগের জন্য +৮৮০৯৬০২৬৬৬৭০৭ নম্বরে কল করুন। সরকারি ছুটি ব্যাতিত।

আবেদনের ধাপসমূহ

নিবন্ধন করতে যে সকল তথ্য প্রয়োজন:
সরকারি মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধন সনদ এবং পাসপোর্ট প্রয়োজন। আপনি প্রাক নিবন্ধন সনদে বর্ণিত ট্র্যাকিং নম্বর দিয়ে হজ পোর্টালের পিলগ্রিম সার্চ অপশনের মাধ্যমে নিবন্ধনযোগ্য কিনা তা যাচাই করতে পারবেন।

নিবন্ধন ২ টি পর্যায়ে হবে। প্রথমে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রাথমিক নিবন্ধন (বিস্তারিত জানতে ২০২৫ সনের প্রাথমিক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি দেখুন) এবং পরবর্তীতে হজ প্যাকেজ ঘোষণা হলে অবশিষ্ট টাকা জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে

প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে ৩,৫০,০০০ (তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা)

হজ প্যাকেজ ঘোষণা করলে অবশিষ্ট টাকা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন করা যাবে

Content will be Comming soon...

আবেদনের ধাপসমূহ

সরকারি মাধ্যমে প্রাক নিবন্ধন / নিবন্ধনে সহায়তা কেন্দ্র:
সরকারি মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধন করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের প্রাক-নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত সেন্টার যথাঃ ডিসি অফিস, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র ও পরিচালক, ঢাকা হজ অফিস। তবে, সরাসরি নিজেই সরকারি মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধন / নিবন্ধন করার সুযোগ আছে

প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে ৩,৫০,০০০ (তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা)

হজ প্যাকেজ ঘোষণা করলে অবশিষ্ট টাকা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন করা যাবে

আবেদনের ধাপসমূহ

নিবন্ধন করতে যে সকল তথ্য প্রয়োজন:
বেসরকারি মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধন সনদ এবং পাসপোর্ট প্রয়োজন। আপনি প্রাক নিবন্ধন সনদে বর্ণিত ট্র্যাকিং নম্বর দিয়ে হজ পোর্টালের পিলগ্রিম সার্চ অপশনের মাধ্যমে নিবন্ধনযোগ্য কিনা তা যাচাই করতে পারবেন

নিবন্ধন ২ টি পর্যায়ে হবে। প্রথমে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রাথমিক নিবন্ধন (বিস্তারিত জানতে ২০২৫ সনের প্রাথমিক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি দেখুন) এবং পরবর্তীতে হজ প্যাকেজ ঘোষণা হলে অবশিষ্ট টাকা জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে।

প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে ৩,৫০,০০০ (তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা)

হজ প্যাকেজ ঘোষণা করলে অবশিষ্ট টাকা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন করা যাবে

ধাপসমূহ

সরকারি মাধ্যমে নিবন্ধিত হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন বাতিল পূর্বক ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ ফেরত প্রক্রিয়াঃ

ধাপ ১: আবেদন
পিআরপি সিস্টেম হতে হজযাত্রী নিজে বা প্রাক-নিবন্ধন কেন্দ্র হতে অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে। হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন এর সমুদয় অর্থ আপনার প্রদত্ত অ্যাকাউন্ট হতে ১০০০ টাকা কর্তন করে বাকি টাকা BEFTN এর মাধ্যমে প্রদান করা হবে। শুধুমাত্র একই ভাউচারে প্রাক-নিবন্ধিত একই পরিবারের হজযাত্রীগন একসঙ্গে আবেদন করতে পারবেন, অন্যথায় আলাদা আলাদা আবেদন করতে হবে।

ধাপ ২: সুপারিশ
আবেদন ঢাকা হজ অফিস যাচাই করে অনলাইনে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করবে।

ধাপ ৩: অনুমোদন
রিফান্ডের আবেদন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত হলে ব্যাংক ইউজারের কাছে প্রেরণ করা হবে। রিফান্ড আবেদন অনুমোদিত হলে আপনার প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে। হজে যেতে হলে সম্পূর্ণ নতুন করে প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে।

ধাপ ৪: অর্থ ফেরত
সোনালী ব্যাংকের নির্বাচিত ব্রাঞ্চ হতে BEFTN নিশ্চিত করে প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন এর অর্থ ট্রান্সফার করে দিবে।

ধাপসমূহ

বেসরকারি মাধ্যমে নিবন্ধিত হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন বাতিল বাতিল পূর্বক ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ ফেরত প্রক্রিয়াঃ

ধাপ ১: আবেদন
পিআরপি সিস্টেম হতে প্রাক-নিবন্ধিত এজেন্সির অ্যাকাউন্ট হতে অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে। হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন এর সমুদয় অর্থ আপনার প্রদত্ত অ্যাকাউন্ট হতে ১০০০ টাকা কর্তন করে বাকি টাকা BEFTN এর মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধিত এজেন্সির অ্যাকাউন্টে টাকা প্রদান করা হবে। হজ এজেন্সি যদি চায় তাহলে হজযাত্রীর অ্যাকাউন্ট BEFTN এর মাধ্যমে প্রদান করতে পারবেন। শুধুমাত্র একই ভাউচারে প্রাক-নিবন্ধিত একই পরিবারের হজযাত্রীগন একসঙ্গে আবেদন করতে পারবেন, অন্যথায় আলাদা আলাদা আবেদন করতে হবে।

ধাপ ২: সুপারিশ
আবেদন সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সি যাচাই করে অনলাইনের মাধ্যমে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করবে।

ধাপ ৩: অনুমোদন
রিফান্ডের আবেদন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত হলে ব্যাংক ইউজারের কাছে প্রেরণ করা হবে। রিফান্ড আবেদন অনুমোদিত হলে আপনার প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে। হজে যেতে হলে সম্পূর্ণ নতুন করে প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে।

ধাপ ৪: অর্থ ফেরত
সোনালী ব্যাংকের নির্বাচিত ব্রাঞ্চ হতে BEFTN নিশ্চিত করে প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন এর অর্থ ট্রান্সফার করে দিবে। হজযাত্রীর প্রদানকৃত অর্থ এজেন্সির নিকট থেকে সমুদয় অর্থ বুঝে নিতে হবে।

হজের নিবন্ধন সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন বা সহায়তার জন্য ১৬১৩৬ এ যোগাযোগ করুন। অফিস চলাকালীন সময়ে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে যোগাযোগের জন্য +৮৮০৯৬০২৬৬৬৭০৭ নম্বরে কল করুন। সরকারি ছুটি ব্যাতিত।

সরকারি মাধ্যম নিবন্ধন পরবর্তী কার্যক্রমঃ

১. নিবন্ধনের পর হজযাত্রী নিজে Saudi Visa Bio App এর মাধ্যমে বায়োমেট্রিক কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। সহায়তার জন্য হজ অফিস, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ডিসি অফিস অথবা ইউডিসি সেন্টারে যোগাযোগ করুন। টিউটোরিয়াল দেখতে এখানে ক্লিক করুন

২. বায়োমেট্রিক সনদ ও নিবন্ধন সনদসহ পাসপোর্ট ডিসি অফিস, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, অথবা পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকায় জমা দিয়ে রশিদ গ্রহণ করবেন।

৩. স্বাস্থ্য পরীক্ষা সরকারি হাসপাতালে সম্পূর্ণ করে রিপোর্টসহ সরকার ঘোষিত টিকা কেন্দ্রে আপনার নিবন্ধনের সময় নির্বাচিত জেলায় উপস্থিত হয়ে মেনেনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকা নিয়ে টিকা সংবলিত স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণ করতে হবে।

৪. নিবন্ধনের সময় নির্বাচিত জেলায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত তারিখে প্রশিক্ষণ গ্রহন করবেন।

৫. প্রাপ্ত ম্যাসেজে উল্লেখিত তারিখে ফ্লাইটের পূর্বে হজ অফিস, ঢাকায় রির্পোট করবেন।

৬. পাসর্পোট, টিকেট, ভিসা ও আইডি কার্ড এবং লাগেজ ট্যাগ ঢাকা হজ অফিস থেকে নির্ধারিত তারিখে সংগ্রহ করবেন।

৭. বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক বিধি অনুসরণপূর্বক প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা হজের সময় সঙ্গে নিন।

৮. ফ্লাইটের ছয় ঘন্টা পূর্বে ইমিগ্রেশনের জন্য ঢাকা, হজ অফিসে বিমান কাউন্টারে রির্পোট করবেন।

বেসরকারি মাধ্যম নিবন্ধন পরবর্তী কার্যক্রমঃ

১. নিবন্ধনের পরে হজযাত্রী তাদের নিবন্ধন সনদসহ পাসপোর্ট এজেন্সির কাছে জমা দিবেন।

২. নিবন্ধনের পর হজযাত্রী নিজে Saudi Visa Bio এর মাধ্যমে বায়োমেট্রিক কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। সহায়তার জন্য এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করুন। টিউটোরিয়াল দেখতে এখানে ক্লিক করুন

৩. স্বাস্থ্য পরীক্ষা সরকারি হাসপাতালে সম্পূর্ণ করে রিপোর্টসহ সরকার ঘোষিত টিকা কেন্দ্রে আপনার নিবন্ধনের সময় নির্বাচিত জেলায় উপস্থিত হয়ে মেনেনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকা নিয়ে টিকা সংবলিত স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণ করতে হবে।

৪. নিবন্ধনের সময় নির্বাচিত জেলায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত তারিখে প্রশিক্ষণ গ্রহন করবেন।

৫. এজেন্সির নিকট থেকে পাসর্পোট, টিকেট ও ভিসা, আইডি কার্ড এবং লাগেজ ট্যাগ ফ্লাইটের পূর্বেই সংগ্রহ করবেন।

৬. বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক বিধি অনুসরণপূর্বক প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা হজের সময় সঙ্গে নিন।

৭. ফ্লাইটের ছয় ঘন্টা পূর্বে ইমিগ্রেশনের জন্য হজ অফিস, ঢাকায় রির্পোট করবেন।

হজের নিবন্ধন পরবর্তী কার্যক্রম বিষয়ে প্রশ্ন বা সহায়তার জন্য ১৬১৩৬ এ যোগাযোগ করুন। অফিস চলাকালীন সময়ে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে যোগাযোগের জন্য +৮৮০৯৬০২৬৬৬৭০৭ নম্বরে কল করুন। সরকারি ছুটি ব্যাতিত।

সরকারি মাধ্যম হজযাত্রীর প্রাক-নিবন্ধন নিয়মাবলীঃ

১. সরকারি মাধ্যম মাধ্যমে হজে গমনেচ্ছুদের প্রাক-নিবন্ধন করার জন্য যে সকল প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা যাবে তা হল।

  • (ক) ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রে
  • (খ) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়
  • (গ) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যালয়
  • (ঘ) পরিচালক, হজ অফিস, আশকোনা, ঢাকা।

২. আপনি যে কোন স্থান থেকে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন।

৩. আবেদন করার জন্য প্রথমে আপনাকে জিমেইলের মাধ্যমে লগ-ইন করতে হবে।

৪. লগ-ইন করার পর আপনি যে হজযাত্রীর আবেদন করতে চান তার তথ্য দিন। একাধিক আবেদনের জন্য " নতুন আবেদন" বাটনে ক্লিক করতে হবে । ১৮ বছরের উপরে যাদের বয়স তাদের ’এন আইডির’ তথ্য দিতে হবে। আর যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে তাদে জন্ম সনদের মাধ্যমে ফরম পূরন করতে হবে।

৫. হজযাত্রীর তালিকা থেকে যাদের টাকা জমা দিতে চান তাদেরকে সিলেক্ট করতে হবে এবং ”পেমেন্ট আবেদন” বাটনে ক্লিক করতে হবে।

৬. আপনি যে ব্যাংকে টাকা জমা দিতে চান তার তথ্য পূরন করতে হবে।

৭. আবেদন করার জন্য ”ভাউচারের জন্য আবেদন করুন” অবশনে ক্লিক করতে হবে। আবেদন করার পর কিছু নির্দেশনা দেওয়া থাকবে যা আপনি পড়ে নিতে পারেন।

৮. ভাউচার তৈরি হলে আপনার আছে একটি মেইল যাবে এবং এসএমএস যাবে। মেইলের মাধ্যমে ভাউচার ডাউনলোড করতে পারবেন ।

৯. অথবা ভা্উচার ডাউনলোড করার জন্য লগ-ইন করে পেমেন্ট আবেদন তালিকা থেকে “পেমেন্ট ভাউচার ডাউনলোড করুন” বাটনে ক্লিক করে ডাউনলোড করা যাবে।

১০. ভাউচারটি প্রিন্ট করে ব্যাংকের মধ্যমে টাকা জমা দিতে হবে।

১১. প্রাক্-নিবন্ধন সংক্রান্ত যেকোন প্রশ্নে, হজ তথ্য সেবাকেন্দ্রে (ফোন নম্বর: ১৬১৩৬, +৮৮০৯৬০২৬৬৬৭০৭ , Skype: hajjcallcenter, E-mail : prp@hajj.gov.bd) যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

১২. ই-হজ বিডি মোবাইল অ্যাপস, ব্যবহার করে আপনি হজ বিষয়ের যে কোন তথ্যে পেতে পারেন। ই-হজ বিডি অ্যাপস লিংক।

প্রাক-নিবন্ধন বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে হেল্পলাইনে (১৬১৩৬) ফোন করতে পারেন।

হজ তথ্যপ্রবাহঃ গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়া

Kazi Mohammad Morade Alam 2 days ago
রওজা শরীফ যিয়ারত: জান্নাতের বাগানে প্রবেশের পূর্ণাঙ্গ গাইড ও প্রশ্নোত্তর:

মদিনাতুল মুনাওয়ারায় অবস্থিত মসজিদে নববীর একটি বিশেষ অংশ হলো 'রিয়াজুল জান্নাহ' বা 'জান্নাতের বাগান', যা সাধারণ মানুষের কাছে 'রওজা শরীফ' নামে পরিচিত। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর রওজা মোবারক এবং তাঁর মিম্বারের মধ্যবর্তী এই স্থানটি সম্পর্কে তিনি নিজেই বলেছেন, "আমার ঘর এবং মিম্বারের মধ্যবর্তী স্থানটি জান্নাতের বাগানসমূহ থেকে একটি বাগান।" প্রতি বছর লাখো মুমিন হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা থাকে এই পবিত্র স্থানে দাঁড়িয়ে অন্তত দু’ রাকাত নামাজ আদায় ও দোয়া করার। তবে হজের মৌসুমে অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং হাজীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি কর্তৃপক্ষ নুসুক (Nusuk) অ্যাপের মাধ্যমে যিয়ারতের সুশৃঙ্খল নিয়ম নির্ধারণ করেছে। আপনার যিয়ারত যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সেজন্য রওজা শরীফে প্রবেশের নিয়মাবলী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তরগুলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

রওজা শরীফ যিয়ারত: আপনার মনে থাকা সব প্রশ্নের উত্তর:
মদিনায় রিয়াজুল জান্নাহ বা রওজা শরীফে আপনার যিয়ারত যেন সহজ ও সুন্দর হয়, সেজন্য সৌদি কর্তৃপক্ষের দেওয়া নির্দেশিকাটি বাংলায় নিচে দেওয়া হলো।

১. রওজা শরীফে প্রবেশের নিয়ম -
কীভাবে প্রবেশ করবেন? রওজা শরীফে যিয়ারতের জন্য অবশ্যই 'নুসুক' (Nusuk) অ্যাপের মাধ্যমে আগে থেকে স্লট বুক করতে হবে। এছাড়া মদিনায় অবস্থানকালে 'ইনস্ট্যান্ট ট্র্যাক' (Instant Track) ফিচারের মাধ্যমেও খালি স্লট দেখা যেতে পারে।

কতবার যিয়ারত করা যায়? মূল বুকিং ফিচারের মাধ্যমে বছরে একবারই যিয়ারত করা সম্ভব। তবে 'ইনস্ট্যান্ট ট্র্যাক' ফিচারের মাধ্যমে নতুন স্লট পাওয়া গেলে পুনরায় যিয়ারতের সুযোগ মিলতে পারে (এটি প্রতি ২০ মিনিট পরপর আপডেট হয়)।

২. বুকিং নিশ্চিতকরণ ও সময়সীমা -
উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ: যিয়ারতের সময় ঠিক হওয়ার পর অবশ্যই আপনার উপস্থিতি নিশ্চিত (Confirm) করতে হবে। যিয়ারতের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে এটি শুরু হয় এবং নির্ধারিত সময়ের ২ ঘণ্টা আগে শেষ হয়। নিশ্চিত না করলে বুকিং বাতিল হয়ে যাবে।

যিয়ারতের সময়: রওজা শরীফের ভেতরে আপনি ইবাদতের জন্য ২০ মিনিট সময় পাবেন। সময় শেষ হওয়ার সাথে সাথে পরবর্তী যিয়ারতকারীদের সুযোগ দিতে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে হবে।

কখন পৌঁছাতে হবে? আপনার নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে নির্দিষ্ট প্রবেশপথে কিউআর (QR) কোডসহ উপস্থিত থাকতে হবে।

৩. গ্রুপ বুকিং ও বাতিল সংক্রান্ত -
গ্রুপ বুকিং: নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে আপনি সর্বোচ্চ ৪ জন সঙ্গীর জন্য গ্রুপ বুকিং করতে পারেন। তবে গ্রুপের মূল ব্যক্তিকেই সবার হয়ে বুকিং নিশ্চিত বা বাতিল করতে হবে।

বুকিং বাতিল: কোনো কারণে যেতে না পারলে দ্রুত বুকিং বাতিল করুন, যাতে পরবর্তীতে আপনি আবার বুকিং করার সুযোগ পান।

৪. শিশু ও নারী-পুরুষের নিয়ম -
নারী ও পুরুষ: রওজা যিয়ারতের সুযোগ নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই আছে, তবে উভয়ের জন্য আলাদা আলাদা সময় নির্ধারিত থাকে।

শিশু: ভিড় ও নিরাপত্তার কারণে শিশুদের রওজা শরীফের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি নেই। তবে মসজিদের উত্তর দিকের চত্বরে শিশুদের জন্য বিশেষ 'চাইল্ড কেয়ার সেন্টার' রয়েছে।

৫. মসজিদ-এ-নববীর সাধারণ তথ্য -
প্রবেশের অনুমতি: রওজা শরীফে প্রবেশের জন্য পারমিট লাগলেও সাধারণ নামাজ আদায়ের জন্য পুরো মসজিদে কোনো পারমিট লাগে না। মসজিদ ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে।

ছবি তোলা: রওজা শরীফের ভেতরে ছবি তোলা অনুমোদিত, তবে ইবাদত ও দোয়ায় মনোযোগ দেওয়াকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

খাবার ও পানীয়: মসজিদের ভেতরে খাবার বা পানীয় নেওয়া নিষেধ। তবে বাইরের চত্বরে এগুলো নেওয়া যায়।

৬. জরুরি সেবা ও ফতোয়া -
হারানো সামগ্রী: কোনো কিছু হারিয়ে গেলে দক্ষিণের ৩৬৬-৩৬৭ নম্বর গেটের কাছে 'লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড' অফিসে যোগাযোগ করুন। নারীদের জন্য এটি পূর্ব দিকে ২৮ নম্বর গেটের কাছে অবস্থিত।

আলেমদের পরামর্শ (ফতোয়া): যেকোনো মাসআলা জানতে মসজিদের ভেতরে থাকা 'ফতোয়া ফোন' ব্যবহার করুন অথবা টোল-ফ্রি নম্বর 8001222400 বা 8001222100-এ কল করুন।

বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের সেবা: বয়স্ক ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য বিনামূল্যে হুইলচেয়ার এবং গলফ কার্ট সুবিধা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: নুসুক (nusuk.sa/rawdah) এবং মসজিদে নববী বিষয়ক অফিশিয়াল গাইডলাইন।
Kazi Mohammad Morade Alam 2 days ago
হজ ২০২৬ উপলক্ষে মক্কায় প্রবেশে নতুন কঠোর বিধিনিষেধ ও জরিমানা ঘোষণা

হজ ১৪৪৭ হিজরি (২০২৬) মৌসুমের নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে সব ধরণের ভিজিট ভিসাধারী এবং বাসিন্দাদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

১. মক্কায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা (ইতিমধ্যেই কার্যকর):

🔹২৫ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি (১৩ এপ্রিল, ২০২৬) থেকে মক্কার প্রবেশপথ গুলোতে কঠোর তল্লাশি শুরু হয়েছে।
🔹যাদের কাছে মক্কার রেসিডেন্ট কার্ড (ইকামা), হজ পারমিট অথবা মক্কায় কাজের বিশেষ ওয়ার্ক পারমিট নেই, তাদের মক্কায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

২. ভিজিট ভিসাধারীদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা:

০১ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি (১৮ এপ্রিল, ২০২৬) থেকে আগামী ১৪ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি পর্যন্ত সকল ধরণের ভিজিট ভিসাধারীদের (ট্যুরিস্ট, ফ্যামিলি বা বিজনেস) জন্য মক্কা শহর এবং পবিত্র স্থানগুলোতে (মিনা, আরাফাত, মুজদালিফা) প্রবেশ বা অবস্থান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

৩. আইন লঙ্ঘনের কঠিন শাস্তি:

🔹অনুমতি ছাড়া হজ করার চেষ্টা করলে বা পবিত্র স্থানে ধরা পড়লে ২০,০০০ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।
🔹অবৈধভাবে হজে সহায়তাকারী বা পরিবহনকারী ব্যক্তিদের ৫০,০০০ সৌদি রিয়াল জরিমানা এবং ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
🔹প্রবাসী কেউ এই আইন লঙ্ঘন করলে তাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো (Deport) হবে এবং ১০ বছরের জন্য সৌদি আরবে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে।

হজযাত্রীদের জন্য পরামর্শ:
অবশ্যই আপনার নুসুক (Nusuk) অ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাল হজ পারমিট এবং নুসুক কার্ডের বৈধতা নিশ্চিত করুন।

🔗 অথেন্টিক তথ্যসূত্র (Official Links):
1. SPA (Official Report): Interior Ministry Announces Hajj 1447 AH Arrangements
2. SPA (Penalties Update): Ministry of Interior Announces Penalties for Hajj Permit Violations
Kazi Mohammad Morade Alam 2 days ago
এহরাম সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন (সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকা)

হজ বা ওমরাহর প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো 'এহরাম'। এটি কেবল বিশেষ পোশাক নয়, বরং এটি একটি পবিত্র আধ্যাত্মিক অবস্থা। এহরামের সঠিক নিয়ম না জানলে হজ বা ওমরাহ ত্রুটিপূর্ণ হতে পারে। মন্ত্রণালয়ের গাইডলাইন অনুযায়ী এহরামের বিস্তারিত নিয়ম নিচে দেওয়া হলো:

১. এহরামের মূল ভিত্তি ও প্রস্তুতি -
পরিচ্ছন্নতা: এহরাম বাঁধার আগে নখ কাটা, অপ্রয়োজনীয় পশম পরিষ্কার করা এবং গোসল করা (সুন্নাত)।

পোশাক (পুরুষ): সেলাইবিহীন দুটি সাদা চাদর। একটি চাদর লুঙ্গির মতো (ইজার) এবং অন্যটি গায়ে চাদরের মতো (রেদা) ব্যবহার করতে হবে। পায়ের ওপরের হাড় খোলা থাকে এমন স্যান্ডেল পরতে হবে।

পোশাক (নারী): নারীদের জন্য বিশেষ কোনো পোশাক নেই। তারা তাদের স্বাভাবিক শালীন পোশাক পরবেন, তবে মুখমণ্ডল ও হাতের কব্জি খোলা রাখা বাধ্যতামূলক।

নিয়ত ও তালবিয়াহ: মীকাত অতিক্রম করার আগে নির্দিষ্ট ইবাদতের সংকল্প করে তালবিয়াহ (লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক...) পাঠ শুরু করতে হবে।

২. এহরাম অবস্থায় যা করা নিষিদ্ধ (সতর্কতা) -
এহরাম বাঁধার পর থেকে নির্দিষ্ট আমল শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিচের কাজগুলো করা যাবে না:

🔹 মাথার চুল বা শরীরের কোনো অংশের পশম কাটা বা ছিঁড়া।
🔹 নখ কাটা।
🔹 শরীরে, পোশাকে বা চুলে সুগন্ধি, সুগন্ধযুক্ত তেল বা সাবান ব্যবহার করা।
🔹 পুরুষদের জন্য সেলাই করা কাপড় (লুঙ্গি, গেঞ্জি, পাঞ্জাবি, টুপি) পরা বা মাথা ঢেকে রাখা।
🔹 বন্য প্রাণী শিকার করা বা হারামের সীমানার গাছ কাটা।
🔹 ঝগড়া-বিবাদ, অশ্লীল আচরণ বা স্ত্রী সহবাস।

৩. এহরাম অবস্থায় যা করা যাবে (জায়েজ) -
🟢 চোখের চশমা, হাতঘড়ি, আংটি বা কানে শোনার যন্ত্র ব্যবহার।
🟢 টাকা বা পাসপোর্ট রাখার জন্য সেলাই করা বেল্ট ব্যবহার করা।
🟢 মাথা স্পর্শ না করে ছাতা ব্যবহার করা।
🟢 সুগন্ধিহীন সাবান দিয়ে গোসল করা।
🟢 শরীরে কোনো সেলাই ছাড়া ব্যান্ডেজ ব্যবহার করা।

৪. গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ -
মীকাত: বিমানে আসার সময় মীকাত আসার আগেই এহরামের পোশাক পরে নিতে হবে।

ধৈর্য: এহরামের অবস্থায় প্রচণ্ড ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং কারো সাথে দুর্ব্যবহার করা যাবে না।

তালবিয়াহ: পুরুষরা উচ্চস্বরে এবং নারীরা নিচুস্বরে বেশি বেশি তালবিয়াহ পাঠ করবেন।

হাজীদের এই পবিত্র যাত্রাকে সহজ ও নির্ভুল করতেই সৌদি সরকার এই দিকনির্দেশনাগুলো প্রদান করেছে।

মূল গাইড লিঙ্ক (PDF): https://haj.gov.sa/en/Awareness-Center/Awareness-Guides/The-Ihraam-A-Guide-for-Pilgrims?fileLang=en
Powered by: iCommune iCommune

হজ পোর্টালে পে-অর্ডারের তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক এবং হজ এজেন্সির ইউজারগণ সরাসরি এন্ট্রি ও আপডেট করেন, যা পোর্টালে সরাসরি প্রকাশ হয়ে থাকে।

Powered by:  Insightdb Logo
Powered by:  Insightdb Logo

এলাকা ভিত্তিক হজযাত্রীর তথ্যচিত্র

(বিভাগ অনুযায়ী এর তথ্য)

হজযাত্রীর পরিসংখ্যান

বিভাগ অনুযায়ী হজযাত্রী
বয়স অনুযায়ী হজযাত্রী
পেশা অনুযায়ী হজযাত্রী
লিঙ্গ অনুযায়ী হজযাত্রী
বিভাগ অনুযায়ী প্রশিক্ষণ
বিভাগ অনুযায়ী টিকা গ্রহণ
Powered by:  Insightdb Logo